
কটিয়াদি–পাকুন্দিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন পিপি।
মুহাম্মদ নূরে আলম | সম্পাদক, বার্তাবাহক
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি–পাকুন্দিয়া আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন পিপিকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা। মাঠপর্যায়ে ধারাবাহিক সক্রিয়তা, দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার কারণে অল্প সময়েই তিনি আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, মনোনয়ন ঘোষণার আগে অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীনকে নিয়ে দলের ভেতরে নানা মতভেদ ও বিরূপ মন্তব্য ছিল। একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর কারণে আসনটিতে প্রতিযোগিতা ছিল তীব্র। তবে প্রাথমিক মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তিনি কৌশলী ও সংযত ভূমিকা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ও আলোচনার মাধ্যমে দলীয় ঐক্য জোরদারে মনোযোগ দেন তিনি।
চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর নির্বাচন করার বৈধতা ঘোষণা অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীনের কর্মতৎপরতাকে আরও গতিশীল করেছে বলে জানান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গ্রামভিত্তিক সভা, উঠান বৈঠক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন। স্থানীয় সমস্যা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নিয়ে তার বক্তব্যে গুরুত্ব পাচ্ছে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তার আন্তরিকতা ও সহজলভ্য আচরণ অনেকের মন জয় করেছে। একজন আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে বলেও মত অনেকের।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন পিপি বলেন, “দলের প্রতি আনুগত্য ও জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই কাজ করছি। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কটিয়াদি–পাকুন্দিয়ার উন্নয়নে কাজ করাই আমার লক্ষ্য।”
আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কটিয়াদি–পাকুন্দিয়া আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন পিপির মাঠপর্যায়ের কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততা নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।