কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশে বড়
পরিবর্তন
আওয়ামী লীগের পতনের পর কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। দলটির অনেক নেতা আত্মগোপনে, কেউবা কারাগারে এবং দলের কার্যালয়ও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে নির্বাচনি মাঠে আওয়ামী লীগ অনুপস্থিত। এ সুযোগে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামি দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনি প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর):
বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রায় এক ডজন নেতা। আলোচনায় রয়েছেন ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল,রেজাউল করিম খান চুন্নু, মাসুদ হিলালী, রুহুল হোসাইন, মির্জা খোকন প্রমুখ। জামায়াত একক প্রার্থী হিসেবে দিয়েছে মোসাদ্দেক ভূঁইয়ার নাম। অন্যান্য ইসলামি দল ও গণঅধিকার পরিষদ থেকেও প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া):
বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাড. জালাল উদ্দিন, আশফাক আহমেদ জুন, তোফাজ্জল হোসেন দিলীপসহ আরও কয়েকজন। জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা শফিকুল ইসলাম। অন্য ধর্মভিত্তিক দলগুলো থেকেও প্রার্থী নিশ্চিত।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল):
বিএনপির পক্ষে মনোনয়ন চাইতে পারেন ড. এম ওসমান ফারুকসহ কয়েকজন। জামায়াতের প্রার্থী ডা. জেহাদ খান। খেলাফত, জমিয়ত, ইসলামী আন্দোলন থেকেও প্রার্থী রয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম):
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তালিকায় রয়েছেন ফজলুর রহমান, আমিনুল ইসলাম রতনসহ অনেকে। জামায়াত প্রার্থী রোকন রেজা, অন্যান্য ধর্মীয় দলগুলোরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত।
কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী):
বিএনপির একাধিক প্রার্থী ছাড়াও সমন্বয়ক হিসেবে সৈয়দ এহসানুল হুদাকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। জামায়াত, খেলাফত, জমিয়ত ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রার্থীও রয়েছে।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর):
এ আসনে বিএনপি থেকে এককভাবে মোহাম্মদ শরীফুল আলম নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়। জামায়াত, খেলাফত, জমিয়ত ও ইসলামী আন্দোলন থেকে বিভিন্ন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতিতে।
আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে কিশোরগঞ্জের ৬টি আসনেই বিরোধী দলগুলোর সরব উপস্থিতি। বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামি দলগুলোর মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তৎপরতা নির্বাচনি মাঠকে চাঙ্গা করে তুলেছে।
বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ
৩ আগস্ট ২০২৫

