মাঠ ছাড়ি নাই,মাঠ ছাড়বো না,মাঠ ছাড়ছি না—রমজান আলী।
ছয়ত্রিশে জুলাইয়ের পর গণঅভ্যুত্থানের বাংলাদেশে জনগণের আশা প্রত্যাশা আরও বেড়ে গিয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্য বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে ময়দানে তৎপর রয়েছে। আমরা আল্লাহকে ছাড়া পৃথিবীর কাউকে ভয় পায় না।হুমকি-ধমকি দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরকে থামানো যাবেনা।আপনাদেরকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশে গণবিপ্লব হবে ভোটের বিপ্লব হবে। আগামীর নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করতে হবে। দাঁড়িপাল্লা কে বিজয়ী করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ক্ষমতায় আসতে হবে—জামায়াত ইসলামীকে।আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করছি এ কাজ করতে গিয়ে আরো বিপদ, বালা মুসিবত সামনে রয়েছে। আমরা আল্লাহর মেহেরবানীতে তার সাহায্য নিয়ে জনগণের সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশের যে কোন বাধা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে সামনে এগিয়ে যাব ইনশাল্লাহ। তিনি আরো বলেন,
পৃথিবীর কোন শক্তি আমাদেরকে থামিয়ে রাখতে পারবেনা। আমরা কুরআনের ভিত্তিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শের ভিত্তিতে একটি বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই। এটা শুধু আমাদের কথা নয় ১৮ কোটি মানুষের কথা, এটা শুধু মুসলমানদের চাওয়া নয়; হিন্দু বৌদ্ধ খিস্টানদেরও চাওয়া।আমরা তাদের চাওয়া বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
এ সময় কিশোরগঞ্জ জেলার আমীর আরো বলেন,আজকের এ সিরাত কনফারেন্স থেকে আমাদের নতুন করে শপথ নিতে হবে। আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর যেভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, আন্দোলন করেছি, জেল জুলুম নির্যাতন ভোগ করে মাঠ ছাড়ি নাই। যদি কারো চোখ রাঙানোতে মনে করে কেউ ভেবে থাকেন তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করছে: মাঠ ছাড়ি নাই, মাঠ ছাড়ছি না,মাঠ ছাড়বো না। মাঠে ছিলাম, মাঠে আছি, মাঠে থাকবো।
উক্ত কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জমিয়েতি ইসলামের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ
১৩ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং

