নিকলীতে ওয়ারেন্টভুক্ত চেয়ারম্যানরা স্বগর্বে দায়িত্ব পালন করছেন – ছাত্রদল নেতার অভিযোগ
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী ও চাতিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়ার খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, তার মধ্যে হত্যা মামলাও রয়েছে। এ মামলাগুলোর বেশ কয়েকটিতে তারা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হলেও স্বগর্বে এলাকায় অবস্থান করছেন এবং ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ শুভ তার ফেসবুক পোস্টে এ প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন –
“একজন ফেরারি আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার হলে, অন্যদিকে নিকলীর দুই চেয়ারম্যান একাধিক মামলার আসামি হয়ে, উপজেলা সভায় অনুপস্থিত থেকেও স্বগর্বে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ একই উপজেলায় অন্য ফেরারি আসামিদের স্থানে প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সিংপুর ও চাতিরচরে কেন দেওয়া হয়নি? এদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না কেন? এলাকায় তাদের দাপটের রহস্য কী?”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এমপি আফজালের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় চেয়ারম্যানরা আইনের উর্ধ্বে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে সাধারণ ফেরারি আসামিরা গ্রেফতার আতঙ্কে পলাতক থাকলেও এ দুই চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে প্রভাব খাটাচ্ছেন।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, আইন সবার জন্য সমান হলে নিকলীর এই দুই চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার না করার কারণ কী?
প্রসঙ্গত, দুই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নীরব ভূমিকায় ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
– বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ/৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং

