কক্সবাজারে কিশোর গ্যাংয়ে রোহিঙ্গা কিশোরের দাপট।
দেশের অন্যতম পর্যটন শহর কক্স*বাজারে কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে রোহিঙ্গা কিশোরের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। সাগর পাড়ের পর্যটন জোন, বিশেষ করে কলাতলি গোলচত্বর (ডলফিন* মোড়) এলাকায় অর্ধশতাধিক রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরী অবস্থান করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে প্রতিদিন দল বেঁধে শহরে এসে রাতে অনেকেই হোটেল-রেস্তোরাঁর বারান্দা বা পুলিশ বক্সের পাশে ঘুমায়। অধিকাংশই মাদকাসক্ত; সলিউশন (গাম) সস্তায় কিনে নেশা করে!
শুধু রোহিঙ্গা নয়, ঢাকা থেকেও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এখানে অপরাধে জড়াচ্ছে।কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. ইলিয়াস খান জানান, সম্প্রতি কলাতলি থেকে আটক ১২ কিশোরের মধ্যে ১০ জনই রোহিঙ্গা এবং ঢাকা থেকে আসা ৪ জন কিশোরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় ঢাকার কিশোর অপরাধীদের আনাগোনা বেড়েছে।
২৪ জুলাই ঝাউতলায় সেনা কর্মকর্তার ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৪ কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়, যারা ঢাকার বাসিন্দা। রোহিঙ্গা ও স্থানীয় কিশোররা একসঙ্গে অপরাধে জড়িত থেকে পর্যটকদের মাদক ও পতিতা সরবরাহের আড়ালে ছিনতাই করে।
পথশিশুদের পুনর্বাসনে কাজ করা ওমর ফারুক হিরু জানান, এসব শিশুদের অপরাধে ঠেলে দেয় সমাজের অমানুষরা। মাদক পরিবহন ও দেহব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে অনেকেই বড় ধরনের অপরাধে লিপ্ত হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ জানান, গত কয়েক মাসে সৈকত এলাকা থেকে ২৬ জন কিশোর গ্যাং সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। ১৬ জুলাই নুনিয়াছড়ায় মোবাইল ছিনতাইয়ের সময় ৩ কিশোরকে হাতেনাতে ধরা হয়।
বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ
১৪ ই আগস্ট ২০২৫

