হাসিনার অত্যাধুনিক ভোটচুরির ফরমুলা: এবিএম আর জামায়াতের ‘ওএমআর’ মেশিন!
বাংলাদেশে ভোটচুরির কৌশল দিন দিন আরও আধুনিক হয়ে উঠছে। এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে প্রকাশ্যে উঠে এসেছে সেই ‘অত্যাধুনিক ভোটচুরি ফরমুলা’। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ও জামায়াতের আঁতাতের মাধ্যমে ওএমআর মেশিন ও বিশেষ কোম্পানির ব্যালট ব্যবহার করে কারচুপির নীলনকশা করা হচ্ছে।৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচনেও একই পদ্ধতি ব্যাবহার করা হয়েছিলো,সেখানে বলা হয়েছে ওএমআর একটি মেশিনে ঘন্টায় ৮০০-১৩০০ ভোট গণনা করা যাবে,কিন্তু ১৪ টি মেশিনে ভোট গণণা করে ফল প্রকাশ করতে রাত হয়েছিল শেষ রাত,৩০০০০ হাজার ভোটার গণনায় এতো দেরি হওয়াতে প্রশ্ন থেকেই যায় যে মেশিনে তহালে উপকার কি হলো?
ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “হাসিনা সরকার এবিএম (আওয়ামী-বিএনপিমুক্ত) রাষ্ট্র কায়েমের নামে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে নতুন ফরমুলায় ভোটচুরির পথ দেখাচ্ছে। ভোটের নামে প্রহসন হচ্ছে। ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে ছাত্রশিবিরকে বিজয়ী করার চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও জানান, জামায়াতের একটি অখ্যাত কোম্পানি থেকে ব্যালট পেপার ও ওএমআর মেশিন আনা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীদের তীব্র চাপের মুখে নির্বাচন কমিশন কাগজে-কলমে ম্যানুয়াল গণনার সিদ্ধান্ত নিলেও, বাস্তবে একই কোম্পানির ব্যালট ব্যবহার করে নির্বাচন চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার একদিকে জামায়াত নিষিদ্ধের নাটক মঞ্চস্থ করে, আরেকদিকে ভোটের মতো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করতে সেই জামায়াতকেই হাতিয়ার বানাচ্ছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য চরম হুমকি এবং নতুন ধরনের ভোট ডাকাতির অপকৌশল।
ছাত্রদল ও বিরোধী পক্ষের নেতারা বলছেন, “এই নির্বাচন প্রমাণ করল—হাসিনা সরকার এখন আর জনসম্পৃক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তারা প্রযুক্তির নামে নতুন নতুন ভোটচুরি যন্ত্র বের করছে। এবিএম আর ওএমআর মিলে গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করছে।”
এদিকে, ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ /১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং

