ঢাকাসোমবার , ২৫ আগস্ট ২০২৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. ইতিহাস
  6. কিশোরগঞ্জ
  7. খেলা
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরি
  10. জাতীয়
  11. জামায়াতে ইসলামী
  12. বঙ্গবন্ধু
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. বীর মুক্তিযোদ্ধা
আজকের সর্বশেষ খবর

করিমগঞ্জে একজনেই দুই পদে টানা ছয় বছর বেতন উত্তোলন!

বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ
আগস্ট ২৫, ২০২৫ ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

করিমগঞ্জে একজনেই দুই পদে টানা ছয় বছর বেতন উত্তোলন!

করিমগঞ্জ প্রতিনিধি,বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সামছ উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি টানা ছয় বছর ধরে একসঙ্গে প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী প্রধান শিক্ষক—দুই পদে বেতন ভোগ করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

সচেতন নাগরিক মো. আ. রহিম এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, জুনিয়র শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও সিনিয়রদের উপেক্ষা করে কৌশলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন সামছ উদ্দিন। পরে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিজেই প্রার্থী হন এবং আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাইসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমও নিজে সম্পন্ন করেন। কেবল সাক্ষাৎকারের দিন সাময়িকভাবে দায়িত্ব অন্য সহকর্মীর হাতে দিয়ে প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন। শিক্ষা আইনের দৃষ্টিতে এটি স্পষ্ট স্বার্থসংঘাত এবং নিয়োগবিধি লঙ্ঘনের শামিল।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ছয় বছর তিনি একসঙ্গে দুই পদে বেতন তুলে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগকারী তার নিয়োগ বাতিল ও আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সামছ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে শুনেছি। তবে এখনো কোনো লিখিত নোটিস পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথভাবে জবাব দেব। আপাতত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।”

বর্তমান প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুই পদে বেতন নিয়েছেন, যা শিক্ষা আইনের দৃষ্টিতে স্পষ্ট স্বার্থসংঘাত এবং নিয়োগবিধি লঙ্ঘন।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আহসানুল জাহিদ জানান, “এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরির জন্য জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।”

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সামসুন্নাহার মাকসুদা বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জকে বলেন, “অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”