পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তথ্য জানতে চাওয়ায় কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. নূর মো. শামসুল আলমের বিরুদ্ধে এক সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অশালীন ভাষায় কথা বলার অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থান করার বিষয়ে তাঁকে হাতেনাতে ধরার পর হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
অভিযোগকারী সাংবাদিক মো. মাফুজুল হক খান জিকু জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিটের দপ্তর সম্পাদক ও ইন্টার টিভির জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে জানতে সাংবাদিক জিকু হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে ফোন করেন। এ সময় ফোনালাপে পরিচালক তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সাংবাদিক জিকুর দাবি, ফোনালাপের একপর্যায়ে চিকিৎসক সংকটের প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলা হয়। এমনকি তাঁকে রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে চিকিৎসক চাওয়ার কথা বলেও মন্তব্য করা হয়। ফোনটি লাউডস্পিকারে থাকায় সেখানে উপস্থিত তাঁর সহকর্মী সাংবাদিকেরাও কথোপকথন শুনতে পান বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে অবস্থান করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত ঘটনা, সময় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগকারী পক্ষ জানিয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা এবং সরকারি হাসপাতালে রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে ডা. নূর মো. শামসুল আলমের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ ডেস্ক






