কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যুবলীগ নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আল-আমিন হত্যা মামলায় একই পরিবারের ছয় আসামি হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন পেয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) উচ্চ আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিকে, এ মামলার অপর এক আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন না পেয়ে কারাগারে যান। পরে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। মামলার তদন্তে এ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ আইনি অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ভৈরবে মো. আল-আমিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর নিহতের স্ত্রী তানিয়া বেগম ভৈরব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়। এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে নিহতের চাচা, চাচাতো ভাইসহ তাঁদের স্বজনেরা রয়েছেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ও নিহতের চাচাতো ভাই বকশি পরে কিশোরগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। তবে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পরে ভৈরব থানা পুলিশ তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বকশি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অন্যদিকে, মামলার অপর ছয় আসামি উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করলে বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট তাঁদের ছয় সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন।
একই মামলায় একজন আসামির কারাগারে থাকা ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর অপর ছয় আসামির উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ ডেস্ক






