আলী আব্বাস রাজন ও এমদাদুল হক এমদাদ এর বহিষ্কারাদেশ
দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আলী আব্বাস রাজন ও সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক এমদাদকে প্রাথমিক সদস্য পদ সহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
বহিষ্কৃত নেতৃবৃন্দের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবেনা। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার সিদ্ধান্ত প্রদান করা হয়েছে।
দপ্তর সম্পাদক
যুবদল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।জানা যায়
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাই এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা যুবদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আলী আব্বাস রাজন গ্রুপ এবং সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক এমদাদ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে পুরান বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষে ইমরানুল হক হিমেল (২৪) নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হন। হিমেল রাজন গ্রুপের কর্মী এবং জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের চাচাতো ভাই।
হিমেলের মৃত্যুর পর উত্তেজিত রাজন গ্রুপ এমদাদ গ্রুপের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জেলা যুবদল ও বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক নয়, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঘটেছে। দলীয় তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম।
এম এন আলম /বার্তাবাহক কিশোরগঞ্জ







