Welcome to বার্তাবাহক   Click to listen highlighted text! Welcome to বার্তাবাহক
ঢাকাThursday , 11 September 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি ডেস্ক
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কিশোরগঞ্জ
  6. খেলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. বিনোদন
  10. বিশ্ব
  11. মতামত
  12. রাজনীতি
  13. শিক্ষাঙ্গন
  14. সর্বশেষ
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ খবর

ভৈরবে ধর্ষণ মামলার আসামি রবিন গ্রেফতার

Link Copied!

ভৈরবে ধর্ষণ মামলার আসামি রবিন গ্রেফতার

ভৈরব প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আলোচিত এক ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রবিন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামের হযরত আলীর ছেলে রবিন (২৮) দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঢাকার লালবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

ইমোতে পরিচয়, প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদ

র‌্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিন মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইমোতে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে রবিনের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ককে ব্যবহার করে রবিন তাকে বিয়ের প্রলোভনে ফাঁদে ফেলেন।

গত রবিবার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার কথা বলে রবিন তাকে ভৈরবে নিয়ে আসেন। প্রথমে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরার পর গাজীরটেক এলাকার একটি নির্জন ইটাখোলা টিনশেড ঘরের পেছনে নিয়ে যান। সেখানে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগীকে ওই স্থানে ফেলে রেখে দ্রুত সটকে পড়েন রবিন।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও মামলা

রবিন পালিয়ে যাওয়ার পর অসহায় ভুক্তভোগী মোবাইল ফোনে বিষয়টি মাকে জানান। খবর পেয়ে মা তাছলিমা বেগম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেয়েকে উদ্ধার করেন। পরদিন ভিকটিম রবিনকে প্রধান আসামি করে ভৈরব থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে রবিন পলাতক ছিলেন।

ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. মোহিত কবির সেনিয়াবাত এক লিখিত বক্তব্যে জানান, আসামি গ্রেফতার এড়াতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন রবিন। বিষয়টি প্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব–১৪ ভৈরব ক্যাম্প ও র‌্যাব–১০ ঢাকার যৌথ অভিযানে লালবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাবের অভিযান ও গ্রেফতার

অভিযানে অংশ নেওয়া র‌্যাব সদস্যরা জানান, রবিনকে আটক করার সময় তিনি ভিন্ন পরিচয়ে থাকার চেষ্টা করছিলেন। তবে র‌্যাবের বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে ভৈরব থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য

এ ঘটনার পর ভৈরব জুড়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয়রা জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ ক্রমেই বাড়ছে। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তির দাবি জানান।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ধর্ষণের মতো অপরাধে অভিযুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তে প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

ভুক্তভোগীর পরিবারের অবস্থান

ভুক্তভোগীর মা তাছলিমা বেগম বলেন, “আমার মেয়ে বিশ্বাস করে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিন্তু সেই বিশ্বাসের অপব্যবহার করেছে রবিন। আমরা চাই, আদালত যেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়।”

Click to listen highlighted text!